Skip to content
Grow Grain logo

Menu

Grow Grain logo

Native Turmeric (হলুদের গুঁড়া)

Native Turmeric (হলুদের গুঁড়া)

Unit price: kg/pis/liter

৳140 ৳148

Minimum order quantity: 1
Maximum order quantity: 100

Product weight: 200 gm.
Total quantity price ৳140
Add to cart Please login first

About this product

 

হলুদ গুঁড়ো, যা মূলত চাষ করা হলুদ থেকে তৈরি হয়, এর রয়েছে অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতা। আয়ুর্বেদ ও ইউনানি চিকিৎসায় এর ব্যবহার প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত।

পাহাড়ি হলুদ গুঁড়ার ১০ টি অসাধারন স্বাস্থ্য উপকারিতা :

১. প্রদাহরোধী গুণাবলী

২. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ

৩. ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক

৪. হজম শক্তি বৃদ্ধি করে

৫. হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায় সহায়ক

৬. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ

৭. ত্বকের যত্নে উপকারী

৮. মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়

৯. ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

১০. ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে

# প্রদাহরোধী গুণাবলী

হলুদে কারকিউমিন নামক একটি সক্রিয় যৌগ রয়েছে যা প্রাকৃতিক প্রদাহরোধী হিসেবে কাজ করে। এটি শরীরে বিভিন্ন প্রদাহজনিত সমস্যা যেমন আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস ও রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। দীর্ঘমেয়াদে হলুদ খেলে প্রদাহ কমিয়ে আর্থ্রাইটিসের মতো ব্যথা ও ফোলাভাব অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

 

# অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ

হলুদ গুঁড়োতে রয়েছে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের কোষগুলোকে ফ্রি র‌্যাডিকেলের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। এটি বার্ধক্যের লক্ষণ কমায় এবং ত্বককে সজীব রাখে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাধ্যমে কোষের ক্ষয় রোধ করা গেলে হৃদরোগ ও ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

 

# ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, হলুদের কারকিউমিন উপাদান ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করে। বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার ও প্রোস্টেট ক্যান্সারের ক্ষেত্রে এটি খুবই কার্যকরী। কেমোথেরাপির সঙ্গে হলুদের সংমিশ্রণে ক্যান্সার চিকিৎসায় কার্যকারিতা বাড়ানো যায়।

 

# হজম শক্তি বৃদ্ধি করে

হলুদ গুঁড়োতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহরোধী গুণাবলী হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে সহায়ক। এটি পাকস্থলীতে গ্যাস ও অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত হলুদ খেলে বদহজম, গ্যাস্ট্রিক, ও কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা অনেকটাই দূর হয়।

 

# হৃদযন্ত্রের সুরক্ষায় সহায়ক

হলুদের কারকিউমিন হৃদযন্ত্রের সুস্থতা রক্ষায় সহায়ক। এটি রক্তনালীর মধ্যে প্রদাহ কমায় এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফলে রক্তচাপ এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস পায়। কারকিউমিন রক্ত জমাট বাধার সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয়, যা হৃদযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। 

 

# রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ

হলুদের প্রাকৃতিক উপাদান কারকিউমিন রক্তে ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য খুবই উপকারী, কারণ এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং ইনসুলিন প্রতিরোধ কমায়।

 

#ত্বকের যত্নে উপকারী

হলুদ গুঁড়োতে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি ব্রণ, কালো দাগ ও ত্বকের প্রদাহ কমাতে সহায়ক। এছাড়াও, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং রঙ ফর্সা করতে অনেকেই হলুদের ব্যবহার করেন।

 

# মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়

হলুদের কারকিউমিন মস্তিষ্কের সেলুলার ফাংশন উন্নত করতে সহায়ক, বিশেষ করে বার্ধক্যজনিত রোগ যেমন আলঝেইমার প্রতিরোধে। এটি স্মৃতিশক্তি বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।

 

 # ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

হলুদ গুঁড়ো শরীরের মেটাবোলিজম বৃদ্ধি করতে সহায়ক, যা চর্বি পোড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত হলুদ খেলে মেদ কমাতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়। এটি বিশেষ করে উদরস্থ মেদ কমাতে কার্যকরী।

 

# ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে

হলুদ গুঁড়োতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল এবং অ্যান্টিফাঙ্গাল উপাদান রয়েছে যা ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। নিয়মিত হলুদ খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, যা সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে বড় বড় সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়তে সহায়ক।

 

উপরোক্ত উপকারিতাগুলি ছাড়াও হলুদ গুঁড়ো আরও বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারে আছে। এটি প্রাকৃতিকভাবে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে অত্যন্ত কার্যকর.

Video content